Header Border

ঢাকা, সোমবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) ৩০.৯৬°সে

শেষ পর্যন্ত সত্যিই হলো।প্রেমিকার বিয়ে হয়ে যাওয়ার প্রেমিকের মৃত্যু।

জানুয়ারি মাস থেকেই ডিপ্রেশনে ভুগতেছিলোতার প্রমান প্রতিটা পোষ্ট। আসলে একটা ছেলে একটা মেয়েকে কতটা ভালোবাসে তার প্রমান তার প্রতিটা লেখার মধ্যেই ফুটে ওঠে। কত্ত পাগল হলে বারবার সুইসাইড করার চেষ্টা করে,শুধু মাত্র মেয়েটাকে ফিরে পাবার আশায় কিন্তু মেয়েটার মন আর গলে নি।।অবশেষে দীর্ঘ একমাস কষ্ট সহ্য করে ৪ দিন আগে ঘুমের ঔষুদ খেয়ে সুইসাইড করলো ছেলেটা।আসলে ভালোবাসা বড়ই আজব।আপনি যদি কাউকে মন থেকে ভালোবাসেন তার অবহেলা সহ্য করতে পারবেন না।ভালো থাকুক সেই পাষানি মেয়েটা,যার ভালোবাসা পাবার জন্য ধুকে ধুকে ছেলেটা মৃত্যুকে বরন করে নিলো।
“প্রেমিকার শরীর অন্যজন ছোঁয়ার আগেই যেনো প্রেমিকের মৃত্যু হয়”
‘তোমাকে পেলে হয়ত আমি বেঁচেই যেতাম!’ বা
‘পাওয়া না পাওয়ার এই দুনিয়ায় তোমাকে পেলে হয়ত সব পাওয়া হয়ে যেতো!’
কিংবাব ‘আচ্ছা, যেই ঘরে এক সময় শান্তির ঘুম ঘুমিয়েছি, যেই ঘরের ফ্যানের বাতাসে গায়ের ঘাম শুকিয়েছি, সেই ঘরে সেই ঘরের ফ্যানের সাথে নিজেকে ঝোলানো কি ঠিক হবে? এই ঘর এই রুমে ছোট ভাইকে নিয়ে প্রতিটি রাত কাটিয়েছি, সেই ঘরে কি আদৌ ঝুলে যাওয়া ঠিক হবে? ছোট ভাই যখন এই ঘরে ঘুমাবে, “বারবার মনে হবে বড় ভাই মাথার উপর একটা দড়িতে ঝুলে আছে!’

এমনই সব পোস্ট ছিল অন্তর রাজের। পরিচিত জনদের নিকট তিনি রাজু নামেই পরিচিত ছিলেন। অন্তর রাজের প্রোফাইলে ম্যারিটাল স্ট্যাটাসে ‘ডিভোর্সড’ আপডেটেড ছিল। তবে সোশ্যাল মিডিয়া সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রেমিকার অন্যত্র বিয়ে হয়ে যাওয়ায় হতাশায় ভুগছিলেন অন্তর রাজ।

মৃত্যুর আগে শেষ স্ট্যাটাসটা ছিলো…
কি দিয়ে শুরু করব, বুঝে উঠতে পারছি না। এখন আমাকে অনলাইনে দেখলে নির্ঘাত সবাই গালি গালাজ করবে। কেউ বলবে নাটকবাজ, কেউ বলবে ভাইরাল হতে চাই, কেউ বলবে কাউকে ইমোশনাল ব্লাকমেইল করতে চাচ্ছি, কেউ কুলাঙ্গার বলে গালি দিবে, কেউ বলবে টাকা মেরে খেয়েছি আরো কত কি!!
হ্যাঁ আসলেই আমি নাটকবাজ, কারণ আমি বাঁচতে চেয়েছিলাম, কিন্তু কোন ওয়ে পাচ্ছিলাম নাহ! তাই বাধ্য হয়ে নাটক করতে হয়েছে। অবশ্য পুরোপুরি নাটক বলাও চলে নাহ, কারণ প্রতিটা নাটকের সমাপ্তি আমি জীবন দিয়েই শেষ করতে চেয়েছিলাম। পারিনি কিংবা করতে দেয়নি আমাকে। সুইসাইড পোস্ট করেছিলাম যদি এটা দেখে কারো করুণা হয়, কেউ যেনো আমার জীবনটা ভিক্ষা দেয়, কিন্তু হয়নি এমন কিছুই! আমাকে বাচিয়ে রাখার আশা দেখিয়ে ঠকিয়েছেy প্রতিনিয়ত! তাই যেতে পারিনি সময় করে, তাই আমি আজ নাটকবাজ।
ভাইরাল? আরে ভাই, ভাইরাল হয়ে কি হবে? যে মানুষ প্রচন্ড মানুষিক যন্ত্রণায় তিলে তিলে শেষ হয়ে যাচ্ছে তাকে এভাবে কেউ ট্রিট করে। খাঁড়াও, মরলে ভূত হয়ে তোমাদের ঘাড় মটকাবো।
হ্যাঁ আমি ইমোশনাল টর্চার করতে চেয়েছিলাম, করেছিও। কেনো করেছি জানেন, কারণ আমি মরতে চাইনি। আমি বাঁচতে চেয়েছিলাম। যে জিনিসটা চেয়েছি, তার জন্য কি এতোটুকুও করা যায় না? জীবন বাঁচানো ফরজ, আমি ফরজ কাজটিই করতে চেয়েছিলাম। যেখানে বেঁচে থাকার একটিই মাত্র৷ পথ সেখানে সেই পথে হাঁটতে চাওয়া কি অপরাধ? কে মরতে চাই বলুন তো!
হ্যাঁ অবশ্যই আমি কুলাঙ্গার। যে মানুষগুলো আমাকে গায়ের রক্ত পানি করে তিলে তিলে গড়ে তুলেছে, তাদের কথা আমি ভাবিনি। যে মানুষগুলো আমার প্রতি বিশ্বাস রেখে বড় করেছে, বড় হয়ে তাদের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য, আমি তাদের কথা ভাবিনি। যে ছোট ভাইটা, আমার এসব পাগলামী দেখে কেদে চোখ ভাসিয়েছে, তার চোখের জলের দাম আমি দিতে পারিনি। আমি তো কুলাঙ্গারই। কিন্তু কাউকে তিলে তিলে কষ্ট না দিয়ে একবারেই সব শেষ করে দেওয়াটা কি বেটার অপশন নাহ। প্রিয়জনদের সামনে ধুকে ধুকে মরার কষ্টটা না দিয়ে একবারেই সব শেষ করে দিলাম। বছর ধরে না কেঁদে একবারই কাদুক।
চলার পথে আর্থিক লেনদেন হয়েই থাকে। দু একজন পাওয়ানাদার, দেনাদার থেকেই যায়। আমার কাছেও দু একজন পাবে, আমিও পাঁচ-ছয় জন থেকে পাবো। সব কিছু শেষ করেই যেতে চেয়

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব লিখিত পরীক্ষা স্থগিত
ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার বন্ধ থাকায় বিপাকে উচ্চাশিক্ষার জন্য বিদেশ গমনেচ্ছু শিক্ষার্থীরা
লকডাউনে ভিসা এপ্লিকেশন ন্সেন্টার বা Visa Facilitation Services Global (VFS ) বন্ধ ও হাজারো শিক্ষার্থীর আর্তনাদ
দিনাজপুরে টমেটোর বাম্পার ফলন করোনায় বিপাকে কৃষকেরা
২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়লো কঠোর লকডাউন
২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট

আরও খবর