Header Border

ঢাকা, শুক্রবার, ৩০শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল) ২৫.৯৬°সে

ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার বন্ধ থাকায় বিপাকে উচ্চাশিক্ষার জন্য বিদেশ গমনেচ্ছু শিক্ষার্থীরা

 

করোনায় সংক্রমণ রোধে বিধিনিষেধের কারণে বাংলাদেশে ভিসা ফ্যাসিলেশন সার্ভিসের (ভিএফএস) অধীনস্থ ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার বন্ধ থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিকৃত হাজার হাজার শিক্ষার্থী।

ভিসা আবেদন কেন্দ্র বন্ধ থাকার কারণে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েও তাঁরা সময়মতো যেতে পারছেন না। যে কারণে শত শত শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি আর্থিক ও মানসিকভাবেও তাঁরা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন।

বুধবার সিলেটের দুটো প্রেসক্লাবে পৃথক সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষার্থীরা ভিসা ভিসা আবেদন কেন্দ্র জরুরি সেবার আওতায় এনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য খুলে দেওয়ার দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার শিক্ষার্থী যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা ও ডিগ্রি অর্জনের জন্য আবেদন করেছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকের ভিসা হয়েছে, আবার অনেকে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। করোনার সংক্রমণ রোধে চলমান বিধিনিষেধের কারণে ৫ এপ্রিল থেকে ভিসা ভিসা আবেদন কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা তাঁদের পাসপোর্ট ওই অফিস থেকে সংগ্রহ করতে পারছেন না। পাসপোর্ট না পাওয়ায় ভিসা পেয়েও অনেকে পছন্দের বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারছেন না।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য রাখেন রাহিমা আক্তার চৌধুরী। রাহিমা আক্তার চৌধুরী বলেন, যারা আবেদন করেছেন তাদের অনেকের IELTS ও মেডিকেল পরীক্ষার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। যা পূণরায় রি-ইস্যু করা সময় সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। তাছাড়া আমরা গত ২/৩ মাস থেকে অনলাইনে ক্লাস করছি। নেটওয়ার্ক সমস্যাসহ বিভিন্ন কারণে আমারা ক্লাসে যুক্ত হতে পারছি না। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমাদের বারবার ইমেইল করা হচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশে ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার বন্ধ থাকায় আমরা বারবার কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেও ব্যর্থ হচ্ছি। প্রতিদিন অনেকে অফিসে গিয়ে কাউকে না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে আসছেন। লকডাউনের সময় ভিএফএস অফিস বন্ধ করা হলেও সেবাগ্রহীতাদের ব্যাপারে তারা কোনো নির্দেশনা দেয়নি। তাছাড়া ভিএফএস অফিসে ৫ এপ্রিলের পরে যাদের অ্যাপয়েনমেন্ট ছিলো তারা দুর দুরান্ত থেকে গিয়ে দেখেন তাদের অ্যাপয়েনমেন্ট বাতিল হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে তাদেরকে পূর্বে কিছু জানানো হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, করোনা সংক্রমণরোধে লকডাউন ও স্বাস্থ্যবিধি আমরাও মানি। কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি মেনে যেহেতু শপিংমল থেকে শুরু করে গার্মেন্টস পর্যন্ত খোলা রয়েছে। তাই জরুরী সেবার মত সীমিত পরিসরে ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার খোলা রেখে সার্ভিস প্রদান করলে করোনার দুঃসময়ে আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হবো না।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আবু তাহের, মোহাম্মদ ছামি, শাব্বির ইসলাম নাঈম, এনাম আহমদ, সাকিব আহমদ, মোহাম্মদ রাফি, মহসিন আহমদ, রোমান আহমদ ও নাহিদ আহমদসহ অনেকে।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব লিখিত পরীক্ষা স্থগিত
আইন বিভাগের শিক্ষার্থীর মৃত‍্যুতে লিডিং ইউনিভার্সিটির শোক
লকডাউনে ভিসা এপ্লিকেশন ন্সেন্টার বা Visa Facilitation Services Global (VFS ) বন্ধ ও হাজারো শিক্ষার্থীর আর্তনাদ
দিনাজপুরে টমেটোর বাম্পার ফলন করোনায় বিপাকে কৃষকেরা
২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়লো কঠোর লকডাউন
২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট

আরও খবর