Header Border

ঢাকা, রবিবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) ৩১.৯৬°সে

নতুন ভিডিও প্রকাশ; রক্তাক্ত রিফাতকে হাসপাতালে নেন মিন্নি

বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের দুই মাস ২০ দিন পর আরেকটি নতুন ভিডিও পাওয়া গেছে। সেখানে দেখা যায়, আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি একাই একটি রিকশায় করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান রিফাত শরীফকে রক্তাক্ত অবস্থায়। এদিকে তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেন, রিফাতকে হাসপাতালে নিলেই মিন্নি নির্দোষ প্রমাণিত হয়না।আর এটা মিন্নির নাটক বলে রিফাতের বাবার দাবি করেন।

১৫ মিনিটের নতুন ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ঘটনার দিন ২৬ জুন সকাল ১০টা ২১ মিনিটে মিন্নি একটি রিকশায় করে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় রিফাতকে হাসপাতালের সামনে নিয়ে যান। সেখানে দাঁড়ানো এক যুবক রিফাত শরীফকে বহন করা রিকশার দিকে দৌড়ে আসেন। রিফাতের অবস্থা দেখে তিনি হাসপাতালের ভেতরে গিয়ে একটি স্ট্রেচার নিয়ে রিকশার পাশে আসেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত অনেকেই এগিয়ে আসেন।

এরপর রিকশা থেকে নামিয়ে অচেতন রিফাত শরীফকে স্ট্রেচারে করে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়। এরপর মিন্নি হাসপাতালের সামনে উপস্থিত একজনের ফোন নিয়ে কল দিয়ে কারও সঙ্গে কথা বলেন। এরপর তিনি হাসপাতালের ভেতরে চলে যান। এর কিছু সময় পর মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর ও চাচা আবু সালেহ হাসপাতালে ছুটে আসেন। ওই দিন সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে হাসপাতালের সামনে একটি অ্যাম্বুলেন্স আসে। এ সময় সেখানে রিফাত শরীফের বন্ধু মঞ্জুরুল আলম জন ও তার কয়েকজন বন্ধু হাসপাতালের সামনে আসেন। জন বেশ কিছু সময় ফোনে কথা বলেন।

১০টা ৪৪ মিনিটে অক্সিজেন ও দুটি স্যালাইন লাগানো অবস্থায় রিফাত শরীফকে স্ট্রেচারে করে অপেক্ষমাণ ওই অ্যাম্বুলেন্সে রিফাতকে তোলা হয়। ১০টা ৪৯ মিনিটে বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে বরিশালের উদ্দেশ্য ত্যাগ করে অ্যাম্বুলেন্সটি। বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের একটি সূত্র জানায়, বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের সামনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ও বরগুনা জেলা পুলিশের পৃথক দুটি সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। তবে এই ভিডিও কোন ক্যামেরায় ধারণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত করতে পারেনি ওই সূত্র।

এদিকে রিফাত শরীফকে ২৬ জুন সকালে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে কোপানোর ঘটনায় ধারণ করা প্রথম ভিডিওটিতে দেখা যায়, রিফাতকে সন্ত্রাসীরা যখন কোপাচ্ছিল, তখন তার স্ত্রী মিন্নি প্রাণপণ চেষ্টা করছিলেন রিফাত শরীফকে রক্ষা করার জন্য। এরপর ওই ঘটনায় দ্বিতীয় যে ভিডিওটি প্রকাশিত হয়, সেখানে রিফাতকে কলেজ গেট থেকে ধরে পূর্ব দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় মিন্নি সন্ত্রাসীদের পেছনে কিছুটা ধীর গতিতে হেঁটে যান।

এতে অনেকের মনে সন্দেহ দেখা দেয় যে, এ ঘটনায় মিন্নি জড়িত থাকতে পারে। এই সন্দেহের জের ধরেই রিফাত শরীফের বাবা দুলাল শরীফ ঘটনার ১৮ দিন পর ১৩ জুলাই বরগুনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে রিফাত হত্যায় মিন্নি জড়িত বলে অভিযোগ তোলেন। ওই ভিডিওর উদ্ধৃতি দেন তিনি। ১৬ জুলাই মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদের নামে তার বাবার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গ্রেফতার করা হয়। আপনি কি মনে করেন এখানে মিন্নি জড়িত?

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র উদ্দোগে মাদ্রাসায় গরিব অসহায় ছাত্রদের মধ্যে দোয়া ও ইফতার মাহফিল
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব লিখিত পরীক্ষা স্থগিত
ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার বন্ধ থাকায় বিপাকে উচ্চাশিক্ষার জন্য বিদেশ গমনেচ্ছু শিক্ষার্থীরা
লকডাউনে ভিসা এপ্লিকেশন ন্সেন্টার বা Visa Facilitation Services Global (VFS ) বন্ধ ও হাজারো শিক্ষার্থীর আর্তনাদ
দিনাজপুরে টমেটোর বাম্পার ফলন করোনায় বিপাকে কৃষকেরা
২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়লো কঠোর লকডাউন

আরও খবর